Читать книгу "সময়ের অন্তর"
“আমার ধৈর্য্যের সীমারেখা লঙ্ঘন করো না তয়া। স্ফটিক ফিরে পাই বা না পাই আমি তোমার অভিযোগ বা পাগলের প্রলাপ কিন্তু সহ্য করে যেতে পারব না, বিশেষ করে যদি তা ঋত্বিকাকে নিয়ে হয়। তোমাকে তাকে রক্ষা করার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে... তুমি তা করতে পছন্দ করছো না করছো না তাতে আমার কিছু এসে যায় না। তোমার বদমেজাজকে কাবু করতে হবে এবং তার সামনে থাকাকালীন তোমাকে তোমাকে কোনরকম অনুমান করা থেকে দূরে থাকতে হবে। বুঝতে পারলে?” এই কথাগুলো বলতে বলতে সে তার ছোট ভাইয়ের দিকে আগুন-ঝরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল।
কিউয়ের কথায় যেন তুষার-শলাকা তৈরি হয়েছিল, এবং তয়া এখনকার মতো তাদের কথাবার্তা শেষ হয়েছে বলে ধরে নিয়েছিল। তয়া তার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল এবং একবারও পিছনে বা অন্য কোন দিকে না দেখে সোজা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। দাদার কমরা থেকে বেরিয়ে সে একটু থমকে দাঁড়াল, কিওকোর ঘরের দরজার দিকে মুখ করে। সে ঘরটার মধ্যে কিওকোর উপস্থিতি অনুভব করতে পারলছিল।
সে দরজায় টোকা দেবার জন্য তার হাত তুলেছিল তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কাটানোর জন্য, কিন্তু তা কেন সে চাইছে তার কোন কারণ সেই মুহূর্তে তার জানা ছিল না। সে দ্রুত তার হাতটা নিজের পকেটে ঢুকিয়ে নিল এবং ঘুরে গিয়ে হলের মধ্যে দিয়ে হাঁটতে শুরু করে দিল।
ওই হলঘরে যদি আর কেউ থাকত তাহলে সে তয়ার দু’পাশ দিয়ে চকচকে আবছা দুটো রূপালী রংয়ের ডানা দেখতে পেত যা তার হাঁটা শুরু করার সাথে সাথে ধীরে-ধীরে অদৃশ্য হয়ে যেতে থাকল।
Внимание! Это не конец книги.
Если начало книги вам понравилось, то полную версию можно приобрести у нашего партнёра - распространителя легального контента. Поддержите автора!